ছেলেটি এখন পার্কের সেই চেয়ারটিতে বসে আছে
ছেলেটি এখন পার্কের সেই চেয়ারটিতে বসে আছে যেখানে একদা মেয়েটি ও তার সাথে বসে থাকত। সেইদিনের মতো ছেলেটির হাতে আজ ও সাতটি গোলাপ ফুল আছে।কিন্তু ফুলগুলি নেওয়ার জন্য মেয়েটি আজ নেই।পার্কের আশেপাশে অনেক ছেলেমেয়েরাই একে অপরের হাত ধরে হাটাহাটি করছে কিন্তু ছেলেটির হাত ধরার জন্য মেয়েটি আজ নেই।
.
.
ছেলেটি আর মেয়েটি একই কোচিং সেন্টারে পড়ত।
আজ থেকে ঠিক এক বছর আগের এই দিনটিতেই এই
পার্কেই ছেলেটি মেয়েটির নামের অক্ষর অনুযায়ী তাকে সাতটি গোলাপ দিয়ে প্রোপোজ করেছিল।
মেয়েটি উওরের বদলে সেইদিন বলেছিল ""কোনোদিন
ও আমায় ছেড়ে যাবিনাতো?""
উওরে ছেলেটি বলেছিল
" ভালোবেসে যাব তোকে আমি ততদিন
বেঁচে থাকবো এই পৃথিবীতে যতোদিন "
.
এইভাবেই শুরু হয়েছিল তাদের ভালোবাসা। তারা প্রতি সপ্তাহে নিয়ম করে তিনদিন দেখা করতো। মেয়েটি ভীষণ ভালোবাসত ছেলেটিকে আর ছেলেটিও ভীষণ ভালোবাসত মেয়েটিকে ।মেয়েটি তার ভালোবাসা কখনো প্রকাশ করতো না কিন্তু ছেলেটি সেই না বলা ভালোবাসা অনুভব করতে পারত। তাদের ভালোবাসায় হাসি,ঠাট্টা,রাগ,অভিমান সবকিছুই ছিল।
এইভাবেই চলছিল তাদের ভালোবাসা।
.
কিন্তু মিলন হয়তো তাদের ভাগ্যে লেখা ছিল না।
তাইতো তাদের এই ভালোবাসা বেশিদিন স্থায়ী থাকতে পারেনি। মেয়েটির পরিবার তাদের ভালোবাসা সম্পর্কে জেনে গিয়েছিল এবং মেয়েটির শরীরে হাত ও তুলেছিল।সেই আঘাতের চিহ্ন ফুটে উঠেছিল তার নিষ্পাপ চেহারায়। এরপর মেয়েটির আর ক্ষমতা ছিল না তাদের ভালোবাসাটুকু বাচিঁয়ে রাখার। এবং ছেলেটিও নিরুপায় ছিল।এভাবেই শেষ হয়ে গিয়েছিল একটি ভালোবাসা ও দুটি হৃদয়।
.
.
এরপর আর তাদেরকে একসাথে কখোনই দেখা যায়নি।কিন্তু ছেলেটি আজও সেই মেয়েটিকেই ভালোবাসে।ছেলেটির আজ ও মনে আছে মেয়েটি একদিন বলেছিল তার গোলাপ ফুল ভীষন প্রিয় । তাই আজও প্রতি ভ্যালেন্টাইনস ডে তে সাতটি
গোলাপ ফুল নিয়ে পার্কটিতে বসে থাকে ছেলেটি।
.
.
হয়তো মেয়েটির একদিন বিয়ে হয়ে যাবে কিন্তু সেইদিন ও তার জন্য ছেলেটির ভালোবাসা একটুও কমবে না।
.
.
একসময় গাছের পাতাগুলি ঝড়ে পড়বে, আকাশে ভাসমান মেঘ জলধারা হয়ে বর্ষিত হবে ভূমিতে,প্রিয় মানুষগুলি চলে যাবে না ফেরার দেশে, হয়তোবা ছেলেটি আর মেয়েটিও একসময় আর থাকবেনা। কিন্তু তাদের এই
অপরিসীম ভালোবাসার স্বাক্ষী থেকে যাবে মুক্ত আকাশ,অদৃশ্যমান বাতাস, সেই ক্ষয়ে যাওয়া ফেসবুকের দুটি আইডি।
.
.
বদলে যাবে আকাশ, বদলে যাবে বাতাস, বদলে যাবে পথচলা সেই রাস্তাঘাট।কিন্তু কোনোদিন ও বদলাবেনা তাদের এই ভালোবাসা, হয়তো এই জনমে নয় অপর জনমে একে অপরকে পাবার আশায়।
.
.
ছেলেটি আর মেয়েটি একই কোচিং সেন্টারে পড়ত।
আজ থেকে ঠিক এক বছর আগের এই দিনটিতেই এই
পার্কেই ছেলেটি মেয়েটির নামের অক্ষর অনুযায়ী তাকে সাতটি গোলাপ দিয়ে প্রোপোজ করেছিল।
মেয়েটি উওরের বদলে সেইদিন বলেছিল ""কোনোদিন
ও আমায় ছেড়ে যাবিনাতো?""
উওরে ছেলেটি বলেছিল
" ভালোবেসে যাব তোকে আমি ততদিন
বেঁচে থাকবো এই পৃথিবীতে যতোদিন "
.
এইভাবেই শুরু হয়েছিল তাদের ভালোবাসা। তারা প্রতি সপ্তাহে নিয়ম করে তিনদিন দেখা করতো। মেয়েটি ভীষণ ভালোবাসত ছেলেটিকে আর ছেলেটিও ভীষণ ভালোবাসত মেয়েটিকে ।মেয়েটি তার ভালোবাসা কখনো প্রকাশ করতো না কিন্তু ছেলেটি সেই না বলা ভালোবাসা অনুভব করতে পারত। তাদের ভালোবাসায় হাসি,ঠাট্টা,রাগ,অভিমান সবকিছুই ছিল।
এইভাবেই চলছিল তাদের ভালোবাসা।
.
কিন্তু মিলন হয়তো তাদের ভাগ্যে লেখা ছিল না।
তাইতো তাদের এই ভালোবাসা বেশিদিন স্থায়ী থাকতে পারেনি। মেয়েটির পরিবার তাদের ভালোবাসা সম্পর্কে জেনে গিয়েছিল এবং মেয়েটির শরীরে হাত ও তুলেছিল।সেই আঘাতের চিহ্ন ফুটে উঠেছিল তার নিষ্পাপ চেহারায়। এরপর মেয়েটির আর ক্ষমতা ছিল না তাদের ভালোবাসাটুকু বাচিঁয়ে রাখার। এবং ছেলেটিও নিরুপায় ছিল।এভাবেই শেষ হয়ে গিয়েছিল একটি ভালোবাসা ও দুটি হৃদয়।
.
.
এরপর আর তাদেরকে একসাথে কখোনই দেখা যায়নি।কিন্তু ছেলেটি আজও সেই মেয়েটিকেই ভালোবাসে।ছেলেটির আজ ও মনে আছে মেয়েটি একদিন বলেছিল তার গোলাপ ফুল ভীষন প্রিয় । তাই আজও প্রতি ভ্যালেন্টাইনস ডে তে সাতটি
গোলাপ ফুল নিয়ে পার্কটিতে বসে থাকে ছেলেটি।
.
.
হয়তো মেয়েটির একদিন বিয়ে হয়ে যাবে কিন্তু সেইদিন ও তার জন্য ছেলেটির ভালোবাসা একটুও কমবে না।
.
.
একসময় গাছের পাতাগুলি ঝড়ে পড়বে, আকাশে ভাসমান মেঘ জলধারা হয়ে বর্ষিত হবে ভূমিতে,প্রিয় মানুষগুলি চলে যাবে না ফেরার দেশে, হয়তোবা ছেলেটি আর মেয়েটিও একসময় আর থাকবেনা। কিন্তু তাদের এই
অপরিসীম ভালোবাসার স্বাক্ষী থেকে যাবে মুক্ত আকাশ,অদৃশ্যমান বাতাস, সেই ক্ষয়ে যাওয়া ফেসবুকের দুটি আইডি।
.
.
বদলে যাবে আকাশ, বদলে যাবে বাতাস, বদলে যাবে পথচলা সেই রাস্তাঘাট।কিন্তু কোনোদিন ও বদলাবেনা তাদের এই ভালোবাসা, হয়তো এই জনমে নয় অপর জনমে একে অপরকে পাবার আশায়।