অষ্টম শ্রেনীতে তোমায় প্রথম দেখেছিলাম।
অষ্টম শ্রেনীতে তোমায় প্রথম
দেখেছিলাম। কোন অচেনা
মেয়েকে
দেখলে ভাললাগার অনুভূতি যে কেমন
হয় সেদিন আমি প্রথম বুঝেছিলাম। .
তোমার ঠোঁটের কাছের
তিল,তোমার
রাবার দিয়ে বাঁধা চুল,তোমার
নিঃষ্পাপ হাসি,তোমার মায়াবি
চাহনি আমার রাতের ঘুম হারাম করে
দিত।
.
আমি তোমার ঐ ফরসা মুখখানা সব
সময়
দেখতে চাইতাম। কিন্তু পারতাম না
কারণ কেউ যদি দেখে ফেলে এই
ভয়ে।
তবুও আমি তোমাকে চুপিচুপি
দেখতাম।
মাঝে মাঝে তোমার সাথে আমার
চোখেচোখ পড়ে যেত আর তুমি চোখ
নামিয়ে নিয়ে আলতো করে মিষ্টি
করে হাসি দিতে।
কেন তুমি এভাবে হাসতে?
.
আমি অনেক সময় স্কুলে যেতাম না
তখন
তুমিএসে আমায় বলতে 'এই ছেলে
স্কুলে আসনা কেন'
আমি তখন বকার মত তাকিয়ে খাকতাম
তোমার দিকে।আবার টিফিন টাইমে
যখন তুমি এসে বলতে 'কেমন আছ'?
আমি
কথা বলতে পারতাম না। তোমার
সাথে কথা বলতে গেলেই মনে হত
কেউ
যেন আমার গলা চেপে ধরে আছে।
কেন এমন হত?
.
স্কুলে না আসার অপরাধে যখন স্যার
আমায় মারতো তোমার চোখে একটা
ভীতি লক্ষ্য করতাম। একবার প্যারেড
করতে গিয়ে আমি মাখা ঘুরে পরে
গিয়ে ছিলাম। পরে সুস্থ্য হয়ে
ক্লাসে
এসে শুনী তুমি নাকি ঐদিন খুব
কেঁদেছিলে।
কেন আমার জন্য তোমার ভীতি
কেনইবা আমার জন্য কাদেছিলে?
তাহলে তোমার মনেও কি একই রকম
অনুভূতি হত????
.
আমি এই কেন গুলো সহ আরও অনেক
কেনর
উত্তর পাইনি।কারন তোমায় এই
প্রশ্নগুলো করার সাহসই পাই নি !! .
SSC বিদায় অনুষ্ঠানের দিন শেষ
মুর্হূতে
তুমি আমায় দিকে চেয়ে থেকে অঝর
ধারায় কাঁদতেছিলে। আমার মনে
হচ্ছিল তোমার প্রতিটা জলের ফোটা
আমায় বলছিল আজ যদি না পার বলতে
তাহলে সারা জীবনের জন্য আমায়
হারাবে।
আমি সেদিনও পারিনি তোমায়
বলতে
বুকের মাঝে লুকানো কথা গুলো।যে
গুলো আমায় কুরে কুরে খাচ্ছিল। ফল
যাহবার তাই হল হারলাম তোমায়
সারাজীবনের জন্য!!!
কম
.
তোমায় হারানোর পরের দুই বছর
তোমার স্থৃতি গুলো আমায় তাড়িয়ে
বেড়িয়েছে।অনেক ভেবেছি তোময়
নিয়ে।অনেক রাত গিয়েছে নির্ঘুম।
কিন্তু এখন আর ভাবিনা তোমায়
নিয়ে।তোমার স্থৃতি গুলো আমার
কাছে এখন আবছা। কারণ সময় যায়
আর
মানুষের অনুভূতিগুলো রং হারায়।
সেগুলো হয় সাদাকালো অনুভূতি। সময়
আমাদের পরিবর্তন করে। হয়ত তুমিও
পরিবর্তন হয়েছ। ভুলে গেছ
সাদাকালো
অনুভূতি গুলো।
দেখেছিলাম। কোন অচেনা
মেয়েকে
দেখলে ভাললাগার অনুভূতি যে কেমন
হয় সেদিন আমি প্রথম বুঝেছিলাম। .
তোমার ঠোঁটের কাছের
তিল,তোমার
রাবার দিয়ে বাঁধা চুল,তোমার
নিঃষ্পাপ হাসি,তোমার মায়াবি
চাহনি আমার রাতের ঘুম হারাম করে
দিত।
.
আমি তোমার ঐ ফরসা মুখখানা সব
সময়
দেখতে চাইতাম। কিন্তু পারতাম না
কারণ কেউ যদি দেখে ফেলে এই
ভয়ে।
তবুও আমি তোমাকে চুপিচুপি
দেখতাম।
মাঝে মাঝে তোমার সাথে আমার
চোখেচোখ পড়ে যেত আর তুমি চোখ
নামিয়ে নিয়ে আলতো করে মিষ্টি
করে হাসি দিতে।
কেন তুমি এভাবে হাসতে?
.
আমি অনেক সময় স্কুলে যেতাম না
তখন
তুমিএসে আমায় বলতে 'এই ছেলে
স্কুলে আসনা কেন'
আমি তখন বকার মত তাকিয়ে খাকতাম
তোমার দিকে।আবার টিফিন টাইমে
যখন তুমি এসে বলতে 'কেমন আছ'?
আমি
কথা বলতে পারতাম না। তোমার
সাথে কথা বলতে গেলেই মনে হত
কেউ
যেন আমার গলা চেপে ধরে আছে।
কেন এমন হত?
.
স্কুলে না আসার অপরাধে যখন স্যার
আমায় মারতো তোমার চোখে একটা
ভীতি লক্ষ্য করতাম। একবার প্যারেড
করতে গিয়ে আমি মাখা ঘুরে পরে
গিয়ে ছিলাম। পরে সুস্থ্য হয়ে
ক্লাসে
এসে শুনী তুমি নাকি ঐদিন খুব
কেঁদেছিলে।
কেন আমার জন্য তোমার ভীতি
কেনইবা আমার জন্য কাদেছিলে?
তাহলে তোমার মনেও কি একই রকম
অনুভূতি হত????
.
আমি এই কেন গুলো সহ আরও অনেক
কেনর
উত্তর পাইনি।কারন তোমায় এই
প্রশ্নগুলো করার সাহসই পাই নি !! .
SSC বিদায় অনুষ্ঠানের দিন শেষ
মুর্হূতে
তুমি আমায় দিকে চেয়ে থেকে অঝর
ধারায় কাঁদতেছিলে। আমার মনে
হচ্ছিল তোমার প্রতিটা জলের ফোটা
আমায় বলছিল আজ যদি না পার বলতে
তাহলে সারা জীবনের জন্য আমায়
হারাবে।
আমি সেদিনও পারিনি তোমায়
বলতে
বুকের মাঝে লুকানো কথা গুলো।যে
গুলো আমায় কুরে কুরে খাচ্ছিল। ফল
যাহবার তাই হল হারলাম তোমায়
সারাজীবনের জন্য!!!
কম
.
তোমায় হারানোর পরের দুই বছর
তোমার স্থৃতি গুলো আমায় তাড়িয়ে
বেড়িয়েছে।অনেক ভেবেছি তোময়
নিয়ে।অনেক রাত গিয়েছে নির্ঘুম।
কিন্তু এখন আর ভাবিনা তোমায়
নিয়ে।তোমার স্থৃতি গুলো আমার
কাছে এখন আবছা। কারণ সময় যায়
আর
মানুষের অনুভূতিগুলো রং হারায়।
সেগুলো হয় সাদাকালো অনুভূতি। সময়
আমাদের পরিবর্তন করে। হয়ত তুমিও
পরিবর্তন হয়েছ। ভুলে গেছ
সাদাকালো
অনুভূতি গুলো।