মেয়েরা অবশ্যই পড়বেন ৷ রিয়া একটি ছেলেকে ভালোবাসে তার নাম রহিত ৷
মেয়েরা অবশ্যই পড়বেন ৷
.
রিয়া একটি ছেলেকে ভালোবাসে
তার নাম রহিত ৷
রিয়া রহিতকে খুবভালোবাসে ৷
রিয়ার বয়স 17 বছর আর রহিতের
20 বছর ৷
তাদের প্রেম মাত্র পাঁচ মাসের কিন্তু
এই পাঁচ মাসের মধ্যেই তাদের মধ্যে
শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে ৷
ধীরে ধীরে তাদের শারীরিক সম্পর্ক
অতন্ত্য গভীরে পৌঁচ্ছে যায় ৷
তারপর কয়েকটা মাস কেটে গেল
হঠাৎ একদিন রিয়া বলল রহিতকে
বিয়ের কথা বলে কিন্তু রহিত বলল
তোমাকে বিয়ে করা তার পক্ষে সম্ভব
নয় ৷
তারপর রিয়া বলল রহিত আমি
প্রেগনেন্ট দয়া করে আমাকে বিয়ে
করে নাও নাহলে আমার আত্মহত্যা
করা ছাড়া কোনো উপায় নেই
কিন্তু রহিত কিছুতেই রাজি হল না ৷
রিয়া প্রচন্ড কাঁদতে লাগল এবং
রহিতের হাতে পায়ে ধরে বলতে
লাগল দয়া করে তুমি আমাকে বিয়ে
করো ৷
আমার কথা ছেড়ে দাও এই বাচ্ছাটার
কথা একবার ভাবো ৷
কিন্তু রহিতকে কিছুতেই রাজি করাতে
পারল না রিয়া ৷
কিছুক্ষন পর রহিত বলল আমি
তোমাকে বিয়ে করতে পারব না
সবথেকে ভালো তুমি বাচ্ছাটা নষ্ট
করে ফেলো ৷
এই কথা শুনে রিয়া প্রচন্ড ক্ষীপ্ত হয়ে
উঠলো রহিতের ওপর কারন...
কোনো মেয়েই চাই না সে মা হওয়া
থেকে বঞ্চিত হোক ৷
তারপর রিয়া বলল যখন বিয়েই
করবে না তাহলে আমার এতো বড়ো
সর্বনাশ করলে কেন ?
রহিত বলল তোমার কোনো প্রশ্নের
উত্তর আমি দিতে চাই না ৷
তোমার যা খুশি তুমি করতে পারো ৷
তারপর রহিত ওখান থেকে চলে যেতে
চাইল কিন্তু রিয়া রহিতকে আটকানোর
চেষ্টা করে তবুও রহিত ওখান থেকে
চলে যায় ৷
রিয়া কাঁদতে কাঁদতে ভাবলো ছোটো
একটা ভুল আজ তার জীবনে সমস্ত
সুখ কেঁড়ে নিল ৷
কাঁদতে কাঁদতে রিয়া ভাবলো কিভাবে
বাঁচবে সে এই পৃথিবীতে ৷
সবাইকে মুখ দেখাবে কি করে ৷
আজ আমার জন্য আমার পরিবারের
মান সম্মান মাটিতে মিশে যাবে
কিন্তু এই সব কথা আর ভেবে কি হবে
যদি আগে মান সম্মানের কথা ভাবতো
তাহলে আজ এই অবস্থায় থাকতো
না রিয়া ৷
অবশেষে রিয়া ভাবল আত্মহত্যা
ছাড়া তার কাছে কোন উপায় নেই ৷
সেই দিনই রিয়া গলায় দড়ি দিয়ে
নিজেকে এবং পেটের বাচ্ছাটাকে
শেষ করে ফেলে ৷
.
এই গল্পটা কিন্তু সব ছেলেদের
উদ্দেশ্যে নয় ৷
কারন সব ছেলে একই হয় না ৷
.
আপনি হয়তো বলবেন তুমি কি খুব
ভালো ছেলে ?
কিন্তু
আমি বলবো আমি ভালো ছেলে নই
কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো মেয়ের
জীবন নিয়ে কোনো খেলা খেলিনি
কারন...
কোনো মেয়ের বা ছেলের জীবন
নিয়ে খেলা করার অধিকার
কারো নেই ৷
.
সব মেয়েদের বলছি ভালোবাসুন
কিন্তুএমন কোনো কাজ করবেন না
যে কাজটা আপনাকে মৃত্যুর মুখে
ঠেলে দেবে ৷
.
রিয়া একটি ছেলেকে ভালোবাসে
তার নাম রহিত ৷
রিয়া রহিতকে খুবভালোবাসে ৷
রিয়ার বয়স 17 বছর আর রহিতের
20 বছর ৷
তাদের প্রেম মাত্র পাঁচ মাসের কিন্তু
এই পাঁচ মাসের মধ্যেই তাদের মধ্যে
শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে ৷
ধীরে ধীরে তাদের শারীরিক সম্পর্ক
অতন্ত্য গভীরে পৌঁচ্ছে যায় ৷
তারপর কয়েকটা মাস কেটে গেল
হঠাৎ একদিন রিয়া বলল রহিতকে
বিয়ের কথা বলে কিন্তু রহিত বলল
তোমাকে বিয়ে করা তার পক্ষে সম্ভব
নয় ৷
তারপর রিয়া বলল রহিত আমি
প্রেগনেন্ট দয়া করে আমাকে বিয়ে
করে নাও নাহলে আমার আত্মহত্যা
করা ছাড়া কোনো উপায় নেই
কিন্তু রহিত কিছুতেই রাজি হল না ৷
রিয়া প্রচন্ড কাঁদতে লাগল এবং
রহিতের হাতে পায়ে ধরে বলতে
লাগল দয়া করে তুমি আমাকে বিয়ে
করো ৷
আমার কথা ছেড়ে দাও এই বাচ্ছাটার
কথা একবার ভাবো ৷
কিন্তু রহিতকে কিছুতেই রাজি করাতে
পারল না রিয়া ৷
কিছুক্ষন পর রহিত বলল আমি
তোমাকে বিয়ে করতে পারব না
সবথেকে ভালো তুমি বাচ্ছাটা নষ্ট
করে ফেলো ৷
এই কথা শুনে রিয়া প্রচন্ড ক্ষীপ্ত হয়ে
উঠলো রহিতের ওপর কারন...
কোনো মেয়েই চাই না সে মা হওয়া
থেকে বঞ্চিত হোক ৷
তারপর রিয়া বলল যখন বিয়েই
করবে না তাহলে আমার এতো বড়ো
সর্বনাশ করলে কেন ?
রহিত বলল তোমার কোনো প্রশ্নের
উত্তর আমি দিতে চাই না ৷
তোমার যা খুশি তুমি করতে পারো ৷
তারপর রহিত ওখান থেকে চলে যেতে
চাইল কিন্তু রিয়া রহিতকে আটকানোর
চেষ্টা করে তবুও রহিত ওখান থেকে
চলে যায় ৷
রিয়া কাঁদতে কাঁদতে ভাবলো ছোটো
একটা ভুল আজ তার জীবনে সমস্ত
সুখ কেঁড়ে নিল ৷
কাঁদতে কাঁদতে রিয়া ভাবলো কিভাবে
বাঁচবে সে এই পৃথিবীতে ৷
সবাইকে মুখ দেখাবে কি করে ৷
আজ আমার জন্য আমার পরিবারের
মান সম্মান মাটিতে মিশে যাবে
কিন্তু এই সব কথা আর ভেবে কি হবে
যদি আগে মান সম্মানের কথা ভাবতো
তাহলে আজ এই অবস্থায় থাকতো
না রিয়া ৷
অবশেষে রিয়া ভাবল আত্মহত্যা
ছাড়া তার কাছে কোন উপায় নেই ৷
সেই দিনই রিয়া গলায় দড়ি দিয়ে
নিজেকে এবং পেটের বাচ্ছাটাকে
শেষ করে ফেলে ৷
.
এই গল্পটা কিন্তু সব ছেলেদের
উদ্দেশ্যে নয় ৷
কারন সব ছেলে একই হয় না ৷
.
আপনি হয়তো বলবেন তুমি কি খুব
ভালো ছেলে ?
কিন্তু
আমি বলবো আমি ভালো ছেলে নই
কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো মেয়ের
জীবন নিয়ে কোনো খেলা খেলিনি
কারন...
কোনো মেয়ের বা ছেলের জীবন
নিয়ে খেলা করার অধিকার
কারো নেই ৷
.
সব মেয়েদের বলছি ভালোবাসুন
কিন্তুএমন কোনো কাজ করবেন না
যে কাজটা আপনাকে মৃত্যুর মুখে
ঠেলে দেবে ৷