ভাই-বোনের ভালোবাসার অনুভূতি। সত্যি এটাই সত্যিকারের ভালোবাসা।।♥♥♥♥
❑ ভালবাসার অনুভূতি
.
ভরদুপুরে বাসা থেকে বের হওয়ার কোন ইচ্ছেই
ছিল না রাতুলের। তবে প্রচণ্ড রেগে গেলেই সে
আচমকা এমন কাজ করে বসে। দুপুরের খাবারটাও
না খেয়ে বেরিয়েছ সে। অথচ বের হতেই ক্ষিদের
বেগ টের পেল। অগত্যা রাতুল ঠিক করল একটা
খাবারের দোকান থেকে কিছু কিনে নিবে, তবুও
এখন আর বাসায় ফিরবে না।
.
ভার্সিটিতে সেমিস্টার ফাইনাল খারাপ
হওয়াতে এমনিতেই মেজাজটা বিগড়ে ছিল
রাতুলের, তার উপর বাসায় ফিরে দেখে তার ছোট
বোন আদৃতা তার ঘরে বসে স্কুলের ৪-৫ জন
বান্ধবীসহ কম্পিউটারে মুভি দেখছে।
.
বোনকে নিজের রুমে দেখে তার মেজাজ আরও
বিগড়ে গেল। মায়ের কাছে গিয়ে বলে, 'ও আমার
রুমে কি করছে মা?' রাতুলের মা বলে, 'আরে
ওদের আজকেই পরীক্ষা শেষ হয়েছে, তাই সবাই
বসে একটু আড্ডা দিচ্ছে।' 'কিন্তু আমার রুমে কেন?
এখনই বের হতে বল, নয়ত আমিই বের করে দিচ্ছি!'
বলেই আদৃতাকে ধমক দিতে যাচ্ছিল সে, তার
আগেই মা তাকে বাধা দিয়ে বলেন, 'কি সমস্যা
তোর? ওরা কি সবসময় আড্ডা দেয় নাকি? আচ্ছা
তুই এখানে কিছুক্ষণ বস, আমি ওদের আদৃতার রুমে
পাঠিয়ে দিচ্ছি।'
.
রাতুলের মা ঘর থেকে বেড়িয়ে গেলেন আদৃতাকে
ডাকতে। রাতুল মায়ের ঘরে ফ্যান ছেড়ে চুপচাপ
বিছানায় বসল। অল্প সময় পড়েই রাতুল নিজের
রুমের কাছ থেকে কিছু একটা ভেঙ্গে যাওয়ার শব্দ
শুনতে পেল। রাতুল দৌড়ে গিয়ে দেখল তার বোন
আদৃতা আর তার মা তার কম্পিউটারের টেবিলের
সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আর তাদের সামনে
ফ্লোরে পড়ে আছে রাতুলের সাধের একটা কফি
মগ, যেটা সে গতমাসেই খুব শখ করে কিনেছিল।
.
আদৃতার দিকে তাকিয়ে খুব কর্কশ কণ্ঠে রাতুল
বলে উঠে, 'সমস্যাটা কি তোর? তোর জন্য কি
আমার জিনিসপত্রও ঠিক রাখতে পারব না?'
কথাটা এত জোরে বলেছিল যে আদৃতার
বান্ধবীরাও ভয় পেয়ে বিছানায় বসা থেকে
দাঁড়িয়ে গেল। আদৃতা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে
থাকে। রাতুল সাথে সাথে রাগ করে বাসা থেকে
বের হয়ে আসে। পেছনে তার মা বেশ কয়েকবার
ডাকা সত্বেও সে সেটা কর্ণপাত না করেই
বেড়িয়ে পড়ে।
.
হাঁটতে হাঁটতে রাতুল গলির মোড়ের একটা
ছোটখাটো হোটেল সদৃশ দোকানে এসে পড়ে।
দেখে দোকানে সিঙ্গারা, পুড়ি এসব ভেজে রাখা
আছে। ক্ষিদের তাড়ণায় রাগ অনেকটাই কমে
গিয়েছিল রাতুলের। তাই অন্যসময় দুপুরবেলায় এসব
না খেলেও আজ ক্ষুদা সংবরণ করার জন্য
দোকানদারকে ২ টা সিঙ্গারা আর ১ টা পুড়ি
দিতে বলল। দোকানদার প্লেটে করে এসব দিলে
সে প্লেট নিয়ে দোকানের পাশেই রাখা বেঞ্চে
বসে খেতে লাগল।
.
সিঙ্গারা শেষ করে পুড়িতে মাত্র কামড়
বসিয়েছে, তখন একটা ৭-৮ বছরের বাচ্চা ছেলে
রাতুলের সামনে এসে বলে, 'বাইজান, কিচু
দিবেন? একটু খাইতাম! খিদা লাগসে!' রাতুলের
কেন যেন বাচ্চাটাকে দেখে খুব মায়া হল। সে
তার প্লেট থেকে একটা সিঙ্গারা বাচ্চাটার
হাতে দিতেই বাচ্চা ছেলেটা এক দৌড়ে
দোকানের ঠিক বিপরীত পাশে রাস্তার কোণে
চলে গেল। সেখানে দাঁড়ানো একটা ৪-৫ বছরের
বাচ্চা মেয়ের কাছে গিয়ে অর্ধেকের বেশি
সিঙ্গারা সেই বাচ্চা মেয়েটার হাতে দিল।
তারপর দুজনেই খুব তৃপ্তি সহকারে সিঙ্গারাটা
খেতে লাগল।
.
রাতুল এবার খুব কৌতূহল নিয়ে বাচ্চা ছেলেটাকে
হাত ইশারায় ডাক দিল। ছেলেটা আবার দৌড়ে
রাতুলের কাছে আসতেই সে বলল,
- পিচ্চি মেয়েটা কে রে?
- আমার ছুড বোইন!
- তো ওকে তোর সিঙ্গারার অর্ধেকের বেশি
দিয়ে দিলি যে?'
- ও ইতান খাইতে মেলা মজা পায়, তাই ওরে
বেশিডা দিয়া দিসি।
- তুই মজা পাস না?
- পাই তো, তয় ওরে খাইতে দেকলেই বেশি মজা
পাই!
.
বাচ্চা ছেলেটার কথা শুনে রাতুলের কাছে মনে
হল যেন তার পৃথিবীটা অল্প সময়ের জন্য থেমে
গেছে। নিজের ভেতর কেমন একটা অদ্ভুত অস্বস্তি
কাজ করতে লাগল তার। এই ছেলেটার যেমন একটা
ছোট বোন আছে, তেমন তো তারও একটা ছোট বোন
আছে, যার উপর কিনা সে রাগ করে বাসা থেকে
বের হয়ে এসেছে!
.
বাচ্চা ছেলেটা যেন রাতুলকে নতুন করে
'ভালবাসা' নামক অনুভূতিটার সাথে পরিচয়
করিয়ে দিল। রাতুল বাচ্চা ছেলেটাকে বলল, 'তুই
তোর বোনকে নিয়ে এখানে আয়। যা খুশি তোরা
দুজনে খেয়ে নে, বিল আমি দিব।' বাচ্চা ছেলেটা
এই কথা শুনে 'আইচ্চা বাইজান' বলে খুশিতে এক
দৌড়ে বোনকে আনতে গেল।
.
রাতুল খুব তৃপ্তি নিয়ে দুই ভাইবোনের খাওয়া
দেখতে লাগল। ওদের খাওয়া শেষ হতেই
দোকানদারকে বিল দিয়ে রাতুল নিজের বাসার
উদ্দেশ্যে হনহন করে হাঁটতে লাগল। পথিমধ্যে
তার মাথায় শুধু একটা বিষয়ই কাজ করছিল, 'আমি
কি আমার বোনকে কখনো এই বাচ্চা ছেলেটার মত
আদর করি?' নিজের অন্তঃস্থল থেকেই উত্তর
আসে 'না'! নিজের প্রতি কেমন যেন একটা
ঘৃণাবোধ কাজ করতে থাকে তার।
.
অথচ একটা সময় ছিল যখন এই আদরের বোনকে তার
মা কোলে নিতে না দিলে সে কান্নাকাটি করে
পুরো বাড়িসুদ্ধ অস্থির করে ফেলত। স্কুলে মায়ের
দেয়া টিফিনের টাকা জমিয়ে বোনের জন্য
চকলেট কিনে নিয়ে যেত। সেই চকলেট যখন তার
বোন ফোঁকলা দাতে খেত, সেটা তাকে কতটা
আনন্দই না দিত!! সময়ের সাথে সাথে ওর আর ওর
বোনের দূরত্বও বেড়ে গেছে অনেক।
.
তবে আজ সেই দূরত্ব সে ঘুচাবেই। আদৃতা
আইসক্রিম খেতে খুব পছন্দ করে। চিন্তা করল
দোকান থেকে এক বক্স আইসক্রিম কিনে নিয়ে
যাবে, যেই ভাবা সেই কাজ। আইসক্রিম কেনার
জন্য দোকানের কাছাকাছি যেতেই রাতুলের
মায়ের নাম্বার থেকে ফোন আসল। ফোন ধরতেই
ওপাশ থেকে আদৃতার কম্পমান কণ্ঠস্বর শুনতে পেল
রাতুল, 'ভাইয়া, তুই বাসায় চলে আয় প্লিজ। আমি
আর কোনোদিন তোর রুমে যাব না। কক্ষনো তোর
কম্পিউটার ধরব না। প্লিজ ভাইয়া!' কথাগুলো
যেন প্রায় এক নিঃশ্বাসে বলে গেল আদৃতা।
.
বোনের ফোন পেয়ে নিজের অজান্তেই রাতুলের
চোখ বেয়ে দুয়েক ফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়ল। সে
চোখ দুটো মুছে বলল, 'আসছি রে পাগলি বোন
আমার।'
.
ভরদুপুরে বাসা থেকে বের হওয়ার কোন ইচ্ছেই
ছিল না রাতুলের। তবে প্রচণ্ড রেগে গেলেই সে
আচমকা এমন কাজ করে বসে। দুপুরের খাবারটাও
না খেয়ে বেরিয়েছ সে। অথচ বের হতেই ক্ষিদের
বেগ টের পেল। অগত্যা রাতুল ঠিক করল একটা
খাবারের দোকান থেকে কিছু কিনে নিবে, তবুও
এখন আর বাসায় ফিরবে না।
.
ভার্সিটিতে সেমিস্টার ফাইনাল খারাপ
হওয়াতে এমনিতেই মেজাজটা বিগড়ে ছিল
রাতুলের, তার উপর বাসায় ফিরে দেখে তার ছোট
বোন আদৃতা তার ঘরে বসে স্কুলের ৪-৫ জন
বান্ধবীসহ কম্পিউটারে মুভি দেখছে।
.
বোনকে নিজের রুমে দেখে তার মেজাজ আরও
বিগড়ে গেল। মায়ের কাছে গিয়ে বলে, 'ও আমার
রুমে কি করছে মা?' রাতুলের মা বলে, 'আরে
ওদের আজকেই পরীক্ষা শেষ হয়েছে, তাই সবাই
বসে একটু আড্ডা দিচ্ছে।' 'কিন্তু আমার রুমে কেন?
এখনই বের হতে বল, নয়ত আমিই বের করে দিচ্ছি!'
বলেই আদৃতাকে ধমক দিতে যাচ্ছিল সে, তার
আগেই মা তাকে বাধা দিয়ে বলেন, 'কি সমস্যা
তোর? ওরা কি সবসময় আড্ডা দেয় নাকি? আচ্ছা
তুই এখানে কিছুক্ষণ বস, আমি ওদের আদৃতার রুমে
পাঠিয়ে দিচ্ছি।'
.
রাতুলের মা ঘর থেকে বেড়িয়ে গেলেন আদৃতাকে
ডাকতে। রাতুল মায়ের ঘরে ফ্যান ছেড়ে চুপচাপ
বিছানায় বসল। অল্প সময় পড়েই রাতুল নিজের
রুমের কাছ থেকে কিছু একটা ভেঙ্গে যাওয়ার শব্দ
শুনতে পেল। রাতুল দৌড়ে গিয়ে দেখল তার বোন
আদৃতা আর তার মা তার কম্পিউটারের টেবিলের
সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আর তাদের সামনে
ফ্লোরে পড়ে আছে রাতুলের সাধের একটা কফি
মগ, যেটা সে গতমাসেই খুব শখ করে কিনেছিল।
.
আদৃতার দিকে তাকিয়ে খুব কর্কশ কণ্ঠে রাতুল
বলে উঠে, 'সমস্যাটা কি তোর? তোর জন্য কি
আমার জিনিসপত্রও ঠিক রাখতে পারব না?'
কথাটা এত জোরে বলেছিল যে আদৃতার
বান্ধবীরাও ভয় পেয়ে বিছানায় বসা থেকে
দাঁড়িয়ে গেল। আদৃতা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে
থাকে। রাতুল সাথে সাথে রাগ করে বাসা থেকে
বের হয়ে আসে। পেছনে তার মা বেশ কয়েকবার
ডাকা সত্বেও সে সেটা কর্ণপাত না করেই
বেড়িয়ে পড়ে।
.
হাঁটতে হাঁটতে রাতুল গলির মোড়ের একটা
ছোটখাটো হোটেল সদৃশ দোকানে এসে পড়ে।
দেখে দোকানে সিঙ্গারা, পুড়ি এসব ভেজে রাখা
আছে। ক্ষিদের তাড়ণায় রাগ অনেকটাই কমে
গিয়েছিল রাতুলের। তাই অন্যসময় দুপুরবেলায় এসব
না খেলেও আজ ক্ষুদা সংবরণ করার জন্য
দোকানদারকে ২ টা সিঙ্গারা আর ১ টা পুড়ি
দিতে বলল। দোকানদার প্লেটে করে এসব দিলে
সে প্লেট নিয়ে দোকানের পাশেই রাখা বেঞ্চে
বসে খেতে লাগল।
.
সিঙ্গারা শেষ করে পুড়িতে মাত্র কামড়
বসিয়েছে, তখন একটা ৭-৮ বছরের বাচ্চা ছেলে
রাতুলের সামনে এসে বলে, 'বাইজান, কিচু
দিবেন? একটু খাইতাম! খিদা লাগসে!' রাতুলের
কেন যেন বাচ্চাটাকে দেখে খুব মায়া হল। সে
তার প্লেট থেকে একটা সিঙ্গারা বাচ্চাটার
হাতে দিতেই বাচ্চা ছেলেটা এক দৌড়ে
দোকানের ঠিক বিপরীত পাশে রাস্তার কোণে
চলে গেল। সেখানে দাঁড়ানো একটা ৪-৫ বছরের
বাচ্চা মেয়ের কাছে গিয়ে অর্ধেকের বেশি
সিঙ্গারা সেই বাচ্চা মেয়েটার হাতে দিল।
তারপর দুজনেই খুব তৃপ্তি সহকারে সিঙ্গারাটা
খেতে লাগল।
.
রাতুল এবার খুব কৌতূহল নিয়ে বাচ্চা ছেলেটাকে
হাত ইশারায় ডাক দিল। ছেলেটা আবার দৌড়ে
রাতুলের কাছে আসতেই সে বলল,
- পিচ্চি মেয়েটা কে রে?
- আমার ছুড বোইন!
- তো ওকে তোর সিঙ্গারার অর্ধেকের বেশি
দিয়ে দিলি যে?'
- ও ইতান খাইতে মেলা মজা পায়, তাই ওরে
বেশিডা দিয়া দিসি।
- তুই মজা পাস না?
- পাই তো, তয় ওরে খাইতে দেকলেই বেশি মজা
পাই!
.
বাচ্চা ছেলেটার কথা শুনে রাতুলের কাছে মনে
হল যেন তার পৃথিবীটা অল্প সময়ের জন্য থেমে
গেছে। নিজের ভেতর কেমন একটা অদ্ভুত অস্বস্তি
কাজ করতে লাগল তার। এই ছেলেটার যেমন একটা
ছোট বোন আছে, তেমন তো তারও একটা ছোট বোন
আছে, যার উপর কিনা সে রাগ করে বাসা থেকে
বের হয়ে এসেছে!
.
বাচ্চা ছেলেটা যেন রাতুলকে নতুন করে
'ভালবাসা' নামক অনুভূতিটার সাথে পরিচয়
করিয়ে দিল। রাতুল বাচ্চা ছেলেটাকে বলল, 'তুই
তোর বোনকে নিয়ে এখানে আয়। যা খুশি তোরা
দুজনে খেয়ে নে, বিল আমি দিব।' বাচ্চা ছেলেটা
এই কথা শুনে 'আইচ্চা বাইজান' বলে খুশিতে এক
দৌড়ে বোনকে আনতে গেল।
.
রাতুল খুব তৃপ্তি নিয়ে দুই ভাইবোনের খাওয়া
দেখতে লাগল। ওদের খাওয়া শেষ হতেই
দোকানদারকে বিল দিয়ে রাতুল নিজের বাসার
উদ্দেশ্যে হনহন করে হাঁটতে লাগল। পথিমধ্যে
তার মাথায় শুধু একটা বিষয়ই কাজ করছিল, 'আমি
কি আমার বোনকে কখনো এই বাচ্চা ছেলেটার মত
আদর করি?' নিজের অন্তঃস্থল থেকেই উত্তর
আসে 'না'! নিজের প্রতি কেমন যেন একটা
ঘৃণাবোধ কাজ করতে থাকে তার।
.
অথচ একটা সময় ছিল যখন এই আদরের বোনকে তার
মা কোলে নিতে না দিলে সে কান্নাকাটি করে
পুরো বাড়িসুদ্ধ অস্থির করে ফেলত। স্কুলে মায়ের
দেয়া টিফিনের টাকা জমিয়ে বোনের জন্য
চকলেট কিনে নিয়ে যেত। সেই চকলেট যখন তার
বোন ফোঁকলা দাতে খেত, সেটা তাকে কতটা
আনন্দই না দিত!! সময়ের সাথে সাথে ওর আর ওর
বোনের দূরত্বও বেড়ে গেছে অনেক।
.
তবে আজ সেই দূরত্ব সে ঘুচাবেই। আদৃতা
আইসক্রিম খেতে খুব পছন্দ করে। চিন্তা করল
দোকান থেকে এক বক্স আইসক্রিম কিনে নিয়ে
যাবে, যেই ভাবা সেই কাজ। আইসক্রিম কেনার
জন্য দোকানের কাছাকাছি যেতেই রাতুলের
মায়ের নাম্বার থেকে ফোন আসল। ফোন ধরতেই
ওপাশ থেকে আদৃতার কম্পমান কণ্ঠস্বর শুনতে পেল
রাতুল, 'ভাইয়া, তুই বাসায় চলে আয় প্লিজ। আমি
আর কোনোদিন তোর রুমে যাব না। কক্ষনো তোর
কম্পিউটার ধরব না। প্লিজ ভাইয়া!' কথাগুলো
যেন প্রায় এক নিঃশ্বাসে বলে গেল আদৃতা।
.
বোনের ফোন পেয়ে নিজের অজান্তেই রাতুলের
চোখ বেয়ে দুয়েক ফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়ল। সে
চোখ দুটো মুছে বলল, 'আসছি রে পাগলি বোন
আমার।'