« হতচ্ছাড়া ! বদমাইশ ! ইতর ! ঝগড়া করার আর টাইম পেলি না !!
বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে আপনাকে স্বাগতম আপনার নামটা কি আমরা জানতে পারি?
কমিউনিটিতে যোগ দিন
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
লগ ইন
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
লগ ইন
অনুসরণ করুন
অপু তানভীর
পোস্টটি যিনি লিখেছেন
আমি ভালা পুলা এই বিষয়ে আপনার কোন সন্দেহ আছে ?
from: dw.com
সকল পোস্ট
নির্বাচিত পোস্ট
নোটিশ বোর্ড
এসপি বাবুলের অব্যাহতি কেন?
রামপালে তাহলে ভারতের ‘নিম্নমানের' কয়লা পোড়ানো হবে?
সারা বিশ্বে দুই কোটি আশি লক্ষ শিশু গৃহহীন
সবার মুখে মুখে ‘বন্ধু তুই লোকাল বাস'
তুরস্কে ডয়চে ভেলের সাক্ষাৎকারের ভিডিও বাজেয়াপ্ত!
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
১. ০৩ রা মে, ২০১২ বিকাল ৪:৩৯ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৭ ০
২. ০৩ রা মে, ২০১২ বিকাল ৪:৪২ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৭ ০
৩. ০৩ রা মে, ২০১২ বিকাল ৪:৫৯ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৮ ০
৪. ০৩ রা মে, ২০১২ বিকাল ৫:০১ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৮ ০
৫. ০৩ রা মে, ২০১২ বিকাল ৫:৩৮ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৯ ০
৬. ০৩ রা মে, ২০১২ বিকাল ৫:৩৯ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০০ ০
৭. ০৩ রা মে, ২০১২ বিকাল ৫:৪০ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০০ ০
৮. ০৩ রা মে, ২০১২ বিকাল ৫:৪১ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০১ ০
৯. ০৩ রা মে, ২০১২ বিকাল ৫:৫০ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০২ ০
১০. ০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১৭ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৩ ০
১১. ০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫২ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৩ ০
১২. ০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১০ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৯ ০
১৩. ০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৫ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২১ ০
১৪. ০৩ রা মে, ২০১২ রাত ৮:০১ ০
০৩ রা মে, ২০১২ রাত ৮:০৫ ০
১৫. ০৩ রা মে, ২০১২ রাত ৮:০৫ ০
০৩ রা মে, ২০১২ রাত ৮:০৭ ০
১৬. ০৩ রা মে, ২০১২ রাত ৮:২৯ ০
০৩ রা মে, ২০১২ রাত ১১:২৬ ০
১৭. ০৩ রা মে, ২০১২ রাত ৯:৪৭ ০
০৩ রা মে, ২০১২ রাত ১১:২৭ ০
১৮. ০৪ ঠা মে, ২০১২ ভোর ৬:২৬ ০
০৪ ঠা মে, ২০১২ সকাল ৯:২৯ ০
১৯. ০৫ ই মে, ২০১২ ভোর ৪:৫৭ ০
০৫ ই মে, ২০১২ সকাল ৮:২৬ ০
২০. ০৫ ই মে, ২০১২ দুপুর ১:২৯ ০
০৫ ই মে, ২০১২ রাত ৯:১০ ০
২১. ২৭ শে মে, ২০১২ রাত ১১:৪১ ০
২৭ শে মে, ২০১২ রাত ১১:৫৪ ০
২২. ১৯ শে জুন, ২০১২ দুপুর ১২:১১ ০
১৯ শে জুন, ২০১২ দুপুর ২:৪৯ ০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
হতচ্ছাড়া ! বদমাইশ ! ইতর ! ঝগড়া করার আর টাইম পেলি না !!
০৩ রা মে, ২০১২ বিকাল ৪:৩৪
Tweet
If you are not automatically redirected, click here .
-হতচ্ছাড়া ! বদমাইশ ! ইতর ! ঝগড়া করার আর টাইম পেলি না !!
নিশি আপন মনেই বিড় বিড় করতে থাকে । ওর এখন খুব কান্না আসছে ।
ইস ! এমন একটা দিনের জন্য কতটা সময় ধরে ও অপেক্ষা করছে আর আজ যখন সময় এসেছে ফাজিল ছোড়াটা ওর সাথে কথা বলা বন্ধ করে রেখেছে । কি এমন করেছিল ও ! একটু না হয় রাগই দেখিয়েছিল তাই বলে মোবাইল বন্ধ করে রাখতে হবে ?
ও তো একটু এরকমই । সব সময়ই ওর একটু রাগ বেশি । নিশি আরো একবার ফোন দিল অপুর মোবাইলে
দুঃখিত এই মুহুর্তে ....
নিশির ইচ্ছা হল মোবাইলটা একটা আছাড় মেরে ফেলে দেয় । সামান্য একটা ফোনে লাইন ঢুকাতে পারে না ।
নিশি ঘর ছেড়ে আবারও বারান্দায় চলে এল । আকাশটার দিকে তাকিয়ে ওর মনটা আরো খারাপ হয়ে গেল ।
ইস ! কি সুন্দর মেঘ করেছে । ঠান্ডা বাতাস শুরু হয়ে গেছে । এখনই বৃষ্টি নামবে । এমন একটা বৃষ্টি দিনের জন্য নিশি কত দিন ধরে অপেক্ষা করেছে ।
নিশির কত দিনের শখ এমন ঝুম বৃষ্টির দিনে ও অপুর হাত ধরে বৃষ্টিতে ভিজবে ! ওর ইচ্ছেটা বুঝি ইচ্ছেই রয়ে যাবে !
অপুটা এমনিতে খুব শান্ত শিষ্ট ছেলে । সব সময় ওর জ্বালাতন সহ্য করে মুখ বুজে । কিন্তু হঠাৎ এমন রাগ করে বসল কেন ?
অবশ্য নিশির নিজেরও একটু বাড়াবাড়িই হয়ে গেছিল গতদিন ।
প্রতিদিন বিকালবেলা অপুর সাথে ওর দেখা হয় । একটা নির্দিষ্ট সময়ে দুজন ছাদে ওঠে । এমনিতে তো মোবাইলে কথা হয়ই তবুও বিকেল বেলার এই দেখাটা না হলে দুজনের কারোরই ভাল লাগে না ।
গত কাল বিকাল বেলা ছাদে উঠে দেখে অপু পাশের বাড়ির নাদিয়ার সাথে গল্প করছে ।
পাশাপাশি ছাদ হওয়াতে পাশের বাসার ছাদটা একেবারে এই বাড়ির লাগোয়া আর রেলিং দুইটাও খুব কাছাকাছি । নাদিয়ার সাথে কি হেসেই না কথা বলছে ।
আর ঐ শাক চুন্নী নাদিয়াটাও হাসতে হাসতে ঢলে পরছে । নিশি রাগে শরীরটা জ্বলে উঠল । ওর রাগটা আরো বেড়ে গেল যখন অপু ওকে দেখেও না দেখার ভান করল । নাদিয়ার সাথেই কথা বলতে থাকল ।
আরো দশ মিনিট পর অপু এল ওর কাছে । নিশি ততক্ষনে রেগে আগুন হয়ে গেছে ।
-কি খবর পাখি ?
-আমার খবর নেবার টাইম আছে তোমার ?
-কি বলছ এসব ? টাইম থাকবে না কেন ?
-ঐ পেত্নীটার সাথে তুমি কেন কথা বলছিলে ?
-পেত্নী ? অপু বেশ অবাক হল ।
-কার কথা বলছ !
-বোঝ না , না ? নাদিয়ার ।
অপু হাসল । বলল
- ছিঃ এসব বলতে নেই । ও শুনলে কষ্ট পাবে ।
-আহা ! দরদ একেবারে উতলে পড়ছে । ও ক্ষ্ট পাবে সে দিকে লক্ষ্য আছে আর আমি কষ্ট পাচ্ছি সে দিকে খ্যাল নাই ।
অপু বলল
- কি বলছ এসব ? খ্যাল থকবে না কেন ? আর আমি তোমাকে কষ্ট দিলাম কিভাবে ?
-তুমি ঐ পেত্নীটার সাথে কথা বলছিলে কেন ?
-আশ্চর্য ! এটা কেমন কথা হল ?ওর সাথে কথা বলায় দোষ হল কোথায় ? আর তুমি ওকে বারবার পেত্নী বলছ কেন ?
-আমার ইচ্ছা আমি বলবো ।
অপু দেখলো যে কথা বাড়িয়ে লাভ নাই । বলল
-আচ্ছা বল । তোমার যা ইচ্ছা বল ।
হটাৎ নিশির কি হল । ও বলল
-তুমিও ওকে পেত্নী বলবে । এখনই বলবে ।
-এসবের মানে কি নিশি ?
-আমি জানি না । এখন ওকে ডাক দিবা । তারপর ওর মুখের উপর বলবা যে তুই একটা পেত্নী ।
-অসম্ভব ! এ কাজ আমি করতে পারবো না ।
-তুমি আমাকে ভালবাস না? তাহলে তোমাকে বলতে হবে ! হবে ! হবে !
অপু খানিকক্ষন অবাক হয়ে ওর দিকে । বলল
-তুমি বাচ্চা নও । কলেজে পড় । ঠিক আছে । বাচ্চাদের মত কথা কথা বলবা না ।
এ কথা শুনে নিশির যেন আরো বেশি জেদ চেপে গেল । ওর বারে বার মনে হচ্ছে অপু যেন ওকে ইগনোর করছে । ঐ নাদিয়ার জন্য ওকে ইগনোর করছে । নিশি বলল
-আমি জানি না । তোমাকে বলতে হবে । বলতে হবে ।
-নিশি , একটা কথা শোন ! তোমাকে ভালবাসি তার মানে এই না যে তোমার সব অন্যায় আবদার আমি শুনবো ! ঠিক আছে ।
-তুমি বলবে না ?
নিশির মাথায় তখন কেবল একই কথা । আসলে ছোট বেলা থেকে নিশিটা একটু এমনই । একবার কিছু মাথায় চেপে গেলে আর নামে না । নিশি আবার বলল
-তুমি বলবে না ?
-তোমার কথা শুনতে গিয়ে আমি অন্য কারো মনে কষ্ট দিবো না । অন্য কিছু থাকলে বল ।
নিশির তখন মাথায় আগুন জ্বলছে । ওর বার বার মনে হচ্ছে অপু ওকে ভালবাসে না । ওর কথা না শুনে অপু ওকে অপমান করলো । নিশি হঠাৎ অপুকে ধক্কা মারল । আর একটু হলে অপু পড়েই যেত । কোন মতে তাল সামলালো ।
-কি করছো নিশি ?
-চুপ । একদম চুপ । তুই আর কখনও আমার সাথে কথা বলবি না । তোর মত বয়ফ্রেন্ডের আমার দরকার নাই । তুই যা তোর পাত্নীর কাছে ।
এই বলে ওখান থেকে চলে আসে । রাতের বেলা যখন মাথা ঠান্ডা হয় তখন ভেবে দেখে আসলে ভূলটা ওরই ছিল । তবুও ও আশা করছিল হয়তো অপু ওকে ফোন দিবে । কিন্তু সারাটাত ফোন দিল না । একটু অভিমান হয়েছিল । কিন্তু সকাল বেলা আর থাকতে না পেরে নিশি নিজেই ফোন দিল । কিন্তু দেখে অপুর ফোন বন্ধ ।
বৃষ্টির ফোটা পড়তে আরাম্ভ করেছে । এর মনটা আরো অস্থির হয়ে উঠল । একবার মনে হল ওদের বাসায় চলে যাই । অপুরা দুতলায় থাকে ।একবার টুক করে গেলেই কিন্তু হয় । সরাসরি দেখা করলে ও নিশ্চই রাগ করে থাকতে পারবে না । কিন্তু ওর মা আবার কি ভাববে ?
যদি কিছু বলে বসে !!
নিশি কি করবে কিছু বুঝে উঠতে পারে না । কিন্তু বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে আর থাকতে পারল না ।
না ওদের বাসায়ই যাবে ! যা থাকে কপালে !!
এমন সুযোগ আর আসবে না ! ও মা যা বলে বলুক !!
নিশি জামা পালটে কালো রংয়ের সেলোয়ার কামিজটা পরে নিল । কালো শাড়ি পরতে পারলে ভাল হত ! কিন্তু ও ঠিক মত শাড়ি পরতে পারে না । আর এখন শাড়ি পড়ার সময়ও নাই । আয়নার সামনে গিয়ে কালো একটা টিপ পড়ল । বেশ বড় টিপ । শেষ বারের মত নিজেকে দেহে নিল । অপুর পছন্দ হবেই । অপুই বলেছিল যেদিন একসাথে বৃষ্টিতে ভিজবো তুমি কালো শাড়ি আর আর কালো টিপ পরো । কিন্তু আল্লাহই জানে অপুর মা যখন দেখবে কি বলবে !! ভদ্রমহিলা এমনিতেই যা কড়া । অপুকে আবার বাইরে বের হতে দিবে তো ?
নিশি আরো একবার ভাবলো । অপুর বাসায় যাওয়া ঠিক হবে তো ! পরে না আবার কোন সমস্যা হয় !
ধুর!! যা হয় হবে !
ঠিক যখন ও ঘর থেকে বের হতে যাবে তখনই ওর সেলফোনের মেসেজ টোনটা বেজে উঠল ।
এই সময় আবার কে মেসেজ পাঠাল । একবার ভাবলো পরে দেখবে । কিন্তু আবার মনে হল না দেখেই যাই ।
ফোনটা হাতে নিয়ে দেখলো অপু মেসেজ পাঠিয়েছে । নিশিকয়েক মুহুর্ত তাকিয়েই থাকলো মেসেজের লাইন গুলো দিকে ।
আমি কালো পাঞ্জাবী পরেছি । তোমার সাথে বৃষ্টিতে ভিজবো বলে ।
নিশি আর একটুও দাড়াল না । সিড়ি ঘরের দিকে দৌড় মাড়ল । আজ যে ওর বৃষ্টিতে ভেজার দিন !!!
কমিউনিটিতে যোগ দিন
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
লগ ইন
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
লগ ইন
অনুসরণ করুন
অপু তানভীর
পোস্টটি যিনি লিখেছেন
আমি ভালা পুলা এই বিষয়ে আপনার কোন সন্দেহ আছে ?
from: dw.com
সকল পোস্ট
নির্বাচিত পোস্ট
নোটিশ বোর্ড
এসপি বাবুলের অব্যাহতি কেন?
রামপালে তাহলে ভারতের ‘নিম্নমানের' কয়লা পোড়ানো হবে?
সারা বিশ্বে দুই কোটি আশি লক্ষ শিশু গৃহহীন
সবার মুখে মুখে ‘বন্ধু তুই লোকাল বাস'
তুরস্কে ডয়চে ভেলের সাক্ষাৎকারের ভিডিও বাজেয়াপ্ত!
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
১. ০৩ রা মে, ২০১২ বিকাল ৪:৩৯ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৭ ০
২. ০৩ রা মে, ২০১২ বিকাল ৪:৪২ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৭ ০
৩. ০৩ রা মে, ২০১২ বিকাল ৪:৫৯ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৮ ০
৪. ০৩ রা মে, ২০১২ বিকাল ৫:০১ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৮ ০
৫. ০৩ রা মে, ২০১২ বিকাল ৫:৩৮ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৯ ০
৬. ০৩ রা মে, ২০১২ বিকাল ৫:৩৯ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০০ ০
৭. ০৩ রা মে, ২০১২ বিকাল ৫:৪০ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০০ ০
৮. ০৩ রা মে, ২০১২ বিকাল ৫:৪১ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০১ ০
৯. ০৩ রা মে, ২০১২ বিকাল ৫:৫০ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০২ ০
১০. ০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১৭ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৩ ০
১১. ০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫২ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৩ ০
১২. ০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১০ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৯ ০
১৩. ০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৫ ০
০৩ রা মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২১ ০
১৪. ০৩ রা মে, ২০১২ রাত ৮:০১ ০
০৩ রা মে, ২০১২ রাত ৮:০৫ ০
১৫. ০৩ রা মে, ২০১২ রাত ৮:০৫ ০
০৩ রা মে, ২০১২ রাত ৮:০৭ ০
১৬. ০৩ রা মে, ২০১২ রাত ৮:২৯ ০
০৩ রা মে, ২০১২ রাত ১১:২৬ ০
১৭. ০৩ রা মে, ২০১২ রাত ৯:৪৭ ০
০৩ রা মে, ২০১২ রাত ১১:২৭ ০
১৮. ০৪ ঠা মে, ২০১২ ভোর ৬:২৬ ০
০৪ ঠা মে, ২০১২ সকাল ৯:২৯ ০
১৯. ০৫ ই মে, ২০১২ ভোর ৪:৫৭ ০
০৫ ই মে, ২০১২ সকাল ৮:২৬ ০
২০. ০৫ ই মে, ২০১২ দুপুর ১:২৯ ০
০৫ ই মে, ২০১২ রাত ৯:১০ ০
২১. ২৭ শে মে, ২০১২ রাত ১১:৪১ ০
২৭ শে মে, ২০১২ রাত ১১:৫৪ ০
২২. ১৯ শে জুন, ২০১২ দুপুর ১২:১১ ০
১৯ শে জুন, ২০১২ দুপুর ২:৪৯ ০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
হতচ্ছাড়া ! বদমাইশ ! ইতর ! ঝগড়া করার আর টাইম পেলি না !!
০৩ রা মে, ২০১২ বিকাল ৪:৩৪
Tweet
If you are not automatically redirected, click here .
-হতচ্ছাড়া ! বদমাইশ ! ইতর ! ঝগড়া করার আর টাইম পেলি না !!
নিশি আপন মনেই বিড় বিড় করতে থাকে । ওর এখন খুব কান্না আসছে ।
ইস ! এমন একটা দিনের জন্য কতটা সময় ধরে ও অপেক্ষা করছে আর আজ যখন সময় এসেছে ফাজিল ছোড়াটা ওর সাথে কথা বলা বন্ধ করে রেখেছে । কি এমন করেছিল ও ! একটু না হয় রাগই দেখিয়েছিল তাই বলে মোবাইল বন্ধ করে রাখতে হবে ?
ও তো একটু এরকমই । সব সময়ই ওর একটু রাগ বেশি । নিশি আরো একবার ফোন দিল অপুর মোবাইলে
দুঃখিত এই মুহুর্তে ....
নিশির ইচ্ছা হল মোবাইলটা একটা আছাড় মেরে ফেলে দেয় । সামান্য একটা ফোনে লাইন ঢুকাতে পারে না ।
নিশি ঘর ছেড়ে আবারও বারান্দায় চলে এল । আকাশটার দিকে তাকিয়ে ওর মনটা আরো খারাপ হয়ে গেল ।
ইস ! কি সুন্দর মেঘ করেছে । ঠান্ডা বাতাস শুরু হয়ে গেছে । এখনই বৃষ্টি নামবে । এমন একটা বৃষ্টি দিনের জন্য নিশি কত দিন ধরে অপেক্ষা করেছে ।
নিশির কত দিনের শখ এমন ঝুম বৃষ্টির দিনে ও অপুর হাত ধরে বৃষ্টিতে ভিজবে ! ওর ইচ্ছেটা বুঝি ইচ্ছেই রয়ে যাবে !
অপুটা এমনিতে খুব শান্ত শিষ্ট ছেলে । সব সময় ওর জ্বালাতন সহ্য করে মুখ বুজে । কিন্তু হঠাৎ এমন রাগ করে বসল কেন ?
অবশ্য নিশির নিজেরও একটু বাড়াবাড়িই হয়ে গেছিল গতদিন ।
প্রতিদিন বিকালবেলা অপুর সাথে ওর দেখা হয় । একটা নির্দিষ্ট সময়ে দুজন ছাদে ওঠে । এমনিতে তো মোবাইলে কথা হয়ই তবুও বিকেল বেলার এই দেখাটা না হলে দুজনের কারোরই ভাল লাগে না ।
গত কাল বিকাল বেলা ছাদে উঠে দেখে অপু পাশের বাড়ির নাদিয়ার সাথে গল্প করছে ।
পাশাপাশি ছাদ হওয়াতে পাশের বাসার ছাদটা একেবারে এই বাড়ির লাগোয়া আর রেলিং দুইটাও খুব কাছাকাছি । নাদিয়ার সাথে কি হেসেই না কথা বলছে ।
আর ঐ শাক চুন্নী নাদিয়াটাও হাসতে হাসতে ঢলে পরছে । নিশি রাগে শরীরটা জ্বলে উঠল । ওর রাগটা আরো বেড়ে গেল যখন অপু ওকে দেখেও না দেখার ভান করল । নাদিয়ার সাথেই কথা বলতে থাকল ।
আরো দশ মিনিট পর অপু এল ওর কাছে । নিশি ততক্ষনে রেগে আগুন হয়ে গেছে ।
-কি খবর পাখি ?
-আমার খবর নেবার টাইম আছে তোমার ?
-কি বলছ এসব ? টাইম থাকবে না কেন ?
-ঐ পেত্নীটার সাথে তুমি কেন কথা বলছিলে ?
-পেত্নী ? অপু বেশ অবাক হল ।
-কার কথা বলছ !
-বোঝ না , না ? নাদিয়ার ।
অপু হাসল । বলল
- ছিঃ এসব বলতে নেই । ও শুনলে কষ্ট পাবে ।
-আহা ! দরদ একেবারে উতলে পড়ছে । ও ক্ষ্ট পাবে সে দিকে লক্ষ্য আছে আর আমি কষ্ট পাচ্ছি সে দিকে খ্যাল নাই ।
অপু বলল
- কি বলছ এসব ? খ্যাল থকবে না কেন ? আর আমি তোমাকে কষ্ট দিলাম কিভাবে ?
-তুমি ঐ পেত্নীটার সাথে কথা বলছিলে কেন ?
-আশ্চর্য ! এটা কেমন কথা হল ?ওর সাথে কথা বলায় দোষ হল কোথায় ? আর তুমি ওকে বারবার পেত্নী বলছ কেন ?
-আমার ইচ্ছা আমি বলবো ।
অপু দেখলো যে কথা বাড়িয়ে লাভ নাই । বলল
-আচ্ছা বল । তোমার যা ইচ্ছা বল ।
হটাৎ নিশির কি হল । ও বলল
-তুমিও ওকে পেত্নী বলবে । এখনই বলবে ।
-এসবের মানে কি নিশি ?
-আমি জানি না । এখন ওকে ডাক দিবা । তারপর ওর মুখের উপর বলবা যে তুই একটা পেত্নী ।
-অসম্ভব ! এ কাজ আমি করতে পারবো না ।
-তুমি আমাকে ভালবাস না? তাহলে তোমাকে বলতে হবে ! হবে ! হবে !
অপু খানিকক্ষন অবাক হয়ে ওর দিকে । বলল
-তুমি বাচ্চা নও । কলেজে পড় । ঠিক আছে । বাচ্চাদের মত কথা কথা বলবা না ।
এ কথা শুনে নিশির যেন আরো বেশি জেদ চেপে গেল । ওর বারে বার মনে হচ্ছে অপু যেন ওকে ইগনোর করছে । ঐ নাদিয়ার জন্য ওকে ইগনোর করছে । নিশি বলল
-আমি জানি না । তোমাকে বলতে হবে । বলতে হবে ।
-নিশি , একটা কথা শোন ! তোমাকে ভালবাসি তার মানে এই না যে তোমার সব অন্যায় আবদার আমি শুনবো ! ঠিক আছে ।
-তুমি বলবে না ?
নিশির মাথায় তখন কেবল একই কথা । আসলে ছোট বেলা থেকে নিশিটা একটু এমনই । একবার কিছু মাথায় চেপে গেলে আর নামে না । নিশি আবার বলল
-তুমি বলবে না ?
-তোমার কথা শুনতে গিয়ে আমি অন্য কারো মনে কষ্ট দিবো না । অন্য কিছু থাকলে বল ।
নিশির তখন মাথায় আগুন জ্বলছে । ওর বার বার মনে হচ্ছে অপু ওকে ভালবাসে না । ওর কথা না শুনে অপু ওকে অপমান করলো । নিশি হঠাৎ অপুকে ধক্কা মারল । আর একটু হলে অপু পড়েই যেত । কোন মতে তাল সামলালো ।
-কি করছো নিশি ?
-চুপ । একদম চুপ । তুই আর কখনও আমার সাথে কথা বলবি না । তোর মত বয়ফ্রেন্ডের আমার দরকার নাই । তুই যা তোর পাত্নীর কাছে ।
এই বলে ওখান থেকে চলে আসে । রাতের বেলা যখন মাথা ঠান্ডা হয় তখন ভেবে দেখে আসলে ভূলটা ওরই ছিল । তবুও ও আশা করছিল হয়তো অপু ওকে ফোন দিবে । কিন্তু সারাটাত ফোন দিল না । একটু অভিমান হয়েছিল । কিন্তু সকাল বেলা আর থাকতে না পেরে নিশি নিজেই ফোন দিল । কিন্তু দেখে অপুর ফোন বন্ধ ।
বৃষ্টির ফোটা পড়তে আরাম্ভ করেছে । এর মনটা আরো অস্থির হয়ে উঠল । একবার মনে হল ওদের বাসায় চলে যাই । অপুরা দুতলায় থাকে ।একবার টুক করে গেলেই কিন্তু হয় । সরাসরি দেখা করলে ও নিশ্চই রাগ করে থাকতে পারবে না । কিন্তু ওর মা আবার কি ভাববে ?
যদি কিছু বলে বসে !!
নিশি কি করবে কিছু বুঝে উঠতে পারে না । কিন্তু বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে আর থাকতে পারল না ।
না ওদের বাসায়ই যাবে ! যা থাকে কপালে !!
এমন সুযোগ আর আসবে না ! ও মা যা বলে বলুক !!
নিশি জামা পালটে কালো রংয়ের সেলোয়ার কামিজটা পরে নিল । কালো শাড়ি পরতে পারলে ভাল হত ! কিন্তু ও ঠিক মত শাড়ি পরতে পারে না । আর এখন শাড়ি পড়ার সময়ও নাই । আয়নার সামনে গিয়ে কালো একটা টিপ পড়ল । বেশ বড় টিপ । শেষ বারের মত নিজেকে দেহে নিল । অপুর পছন্দ হবেই । অপুই বলেছিল যেদিন একসাথে বৃষ্টিতে ভিজবো তুমি কালো শাড়ি আর আর কালো টিপ পরো । কিন্তু আল্লাহই জানে অপুর মা যখন দেখবে কি বলবে !! ভদ্রমহিলা এমনিতেই যা কড়া । অপুকে আবার বাইরে বের হতে দিবে তো ?
নিশি আরো একবার ভাবলো । অপুর বাসায় যাওয়া ঠিক হবে তো ! পরে না আবার কোন সমস্যা হয় !
ধুর!! যা হয় হবে !
ঠিক যখন ও ঘর থেকে বের হতে যাবে তখনই ওর সেলফোনের মেসেজ টোনটা বেজে উঠল ।
এই সময় আবার কে মেসেজ পাঠাল । একবার ভাবলো পরে দেখবে । কিন্তু আবার মনে হল না দেখেই যাই ।
ফোনটা হাতে নিয়ে দেখলো অপু মেসেজ পাঠিয়েছে । নিশিকয়েক মুহুর্ত তাকিয়েই থাকলো মেসেজের লাইন গুলো দিকে ।
আমি কালো পাঞ্জাবী পরেছি । তোমার সাথে বৃষ্টিতে ভিজবো বলে ।
নিশি আর একটুও দাড়াল না । সিড়ি ঘরের দিকে দৌড় মাড়ল । আজ যে ওর বৃষ্টিতে ভেজার দিন !!!