দইয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে!
পোলাও কোরমা খাওয়ার পর এক চামচ দই না হলে খাওয়াতে যেন পূর্ণতৃপ্তি আসে না। বাড়িতে অতিথি আপ্যায়ন, বিয়ে, জন্মদিন বা অন্যান্য অনুষ্ঠানে খাবার পর্ব শেষে একটুখানি দই চাই-ই। মুখরোচক এই দই স্বাস্থ্যের জন্য যথেষ্ট উপকারী।
আধুনিক যুগে বেশিরভাগ মানুষই হার্টের সমস্যায় ভুগে থাকেন। অল্পবয়সীরাও এখন এই সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকে। দই হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। এটি উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে হৃদরোগকে প্রতিরোধ করে দারুণভাবে। দইয়ে আছে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি যা হাড় এবং দাঁত মজবুত করে থাকে।
এতে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম আছে, এগুলোও দাঁত মজবুত করে থাকে। দই হাড়ের রোগ অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধে সহায়তা করে। দই হজমশক্তি বাড়ায়। শুধু তাই নয়, এটি অন্যান্য খাদ্যের সঙ্গে মিশে এর পুষ্টিগুণ বাড়িয়ে থাকে। দইয়ের মধ্যে কিছু উপকারী ব্যাকটেরিয়া আছে যা খাবার হজম করতে সাহায্য করে থাকে। দইয়ে ক্যালসিয়াম আছে যা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।
এটি শরীরের বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ওজন কমায়। দইয়ে থাকা ব্যাকটেরিয়া শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এতে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান ইনফেকশনের সঙ্গে লড়াই করে। ত্বক পরিচর্যায় দই আদিকাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে। এটি ত্বকের মৃত কোষ দূর করে উজ্জ্বল ও মসৃণ ত্বক উপহার দেয়। টক দই মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমাতেও সাহায্য করে।
আধুনিক যুগে বেশিরভাগ মানুষই হার্টের সমস্যায় ভুগে থাকেন। অল্পবয়সীরাও এখন এই সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকে। দই হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। এটি উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে হৃদরোগকে প্রতিরোধ করে দারুণভাবে। দইয়ে আছে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি যা হাড় এবং দাঁত মজবুত করে থাকে।
এতে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম আছে, এগুলোও দাঁত মজবুত করে থাকে। দই হাড়ের রোগ অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধে সহায়তা করে। দই হজমশক্তি বাড়ায়। শুধু তাই নয়, এটি অন্যান্য খাদ্যের সঙ্গে মিশে এর পুষ্টিগুণ বাড়িয়ে থাকে। দইয়ের মধ্যে কিছু উপকারী ব্যাকটেরিয়া আছে যা খাবার হজম করতে সাহায্য করে থাকে। দইয়ে ক্যালসিয়াম আছে যা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।
এটি শরীরের বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ওজন কমায়। দইয়ে থাকা ব্যাকটেরিয়া শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এতে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান ইনফেকশনের সঙ্গে লড়াই করে। ত্বক পরিচর্যায় দই আদিকাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে। এটি ত্বকের মৃত কোষ দূর করে উজ্জ্বল ও মসৃণ ত্বক উপহার দেয়। টক দই মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমাতেও সাহায্য করে।